নবমীর সন্ধ্যায় ‘সুর লহরী নৃত্যায়ান’ — এর এক সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা

২০২৫ সালের ১লা অক্টোবর, বাঙুর অ্যাভিনিউ ‘বি’ ব্লকের যুবক বৃন্দ ক্লাবে ৬০ বছরের দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। নবমীর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই অভিনব অনুষ্ঠানে ‘সুর লহরী নৃত্যায়ান’-এর ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নৃত্যমূলক শ্রদ্ধার্ঘ্য (শ্রদ্ধাঞ্জলি) নিবেদন করেন।

এই অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল ‘সুর লহরী নৃত্যায়ান’ – এর ছাত্রছাত্রীদের পরিবেশনা, যা বিশেষভাবে কোরিওগ্রাফি করেছেন স্বনামধন্যা নৃত্যশিল্পী ও শিক্ষিকা রত্নমণি ঝুমুর ঘোষ। তাঁর নিপুণ নির্দেশনা ও গভীর সংবেদনশীলতা পরিবেশনাটিকে এক অনন্য রূপ প্রদান করেছিল। এই পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন গুনগুন রায়, উজ্জ্বয়িনী সিংহ, অরিণী রায়, সৌবনী কুন্ডু, রঞ্জনা মণ্ডল, অঞ্জনা মণ্ডল, স্তুতি চট্টোপাধ্যায়, ডঃ দোয়েল ঘোষ এবং স্বয়ং রত্নমণি ঝুমুর ঘোষ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের সম্মানিত সভাপতি শ্রী সাম্য বিশ্বাস মহাশয়, যাঁর সহযোগিতা এবং উপস্থিতি অনুষ্ঠানটির গুরুত্ব ও সৌন্দর্যকে আরও বৃদ্ধি করেছে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সঙ্গীতা বিশ্বাস, সুষমিতা পোদ্দার এবং আরও কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তি।

অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে, বাঙুর যুবক বৃন্দ ক্লাবের প্রতিনিধিত্বে শ্রী সাম্য বিশ্বাস মহাশয় রত্নমণি ঝুমুর ঘোষ মহাশয়াকে সম্মাননা প্রদান করেন। এই স্বীকৃতি শুধুমাত্র একজন নৃত্যশিল্পীর অর্জন নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের জন্য গর্বের একটি সংজ্ঞা।

রত্নমণি ঝুমুর ঘোষ, যিনি সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদে অনুমোদিত শিক্ষিকা এবং পরীক্ষক হিসেবে কাজ করছেন, তাঁর এই সাফেল্য গর্বিত সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদ, কারণ তাঁর মতো নিবেদিতপ্রাণ শিল্পীদের মাধ্যমেই পরিষদের আদর্শ ও সংস্কৃতির বিস্তার হয় নতুন প্রজন্মের মধ্যে।

নবমীর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই সফল আয়োজনটি শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল না, বরং এটি ছিল একটি আবেগপূর্ণ শ্রদ্ধার্ঘ্য এবং ভবিষ্যৎ শিল্পীদের জন্য প্রেরণার উজ্জ্বল বার্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *