ভারতের পণ্য বাজার বা MCX (Multi Commodity Exchange)-এ সোনা ও রুপোর দাম যে হারে বাড়ছে, তা সত্যিই আকাশছোঁয়া। বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা এখন নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে এই মূল্যবান ধাতুগুলোর দিকেই ঝুঁকছেন।
দাম বাড়ার প্রধান কারণগুলো কী?
সোনাকে বিনিয়োগের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় বা “সেফ হেভেন” মনে করা হয়। বিশ্বজুড়ে চলমান কিছু ঘটনা বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বাজার ছেড়ে সোনা কিনতে বাধ্য করেছে:
আমেরিকা-ইরান উত্তেজনা: সম্প্রতি আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সামরিক বাগযুদ্ধ এবং উত্তেজনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
গ্রিনল্যান্ড বাণিজ্য বিতর্ক: আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সম্ভাব্য বাণিজ্য সংঘাত (শুল্ক সংক্রান্ত জটিলতা) আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানো: চীন, ভারত এবং মধ্যপ্রাচ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ব্যাপকভাবে সোনা মজুত করছে।
ভারতে সোনার দাম কেবল বিশ্ববাজারের ওপর নয়, বরং ডলারের তুলনায় টাকার মূল্যের ওপরও নির্ভর করে।
বর্তমানে ভারতীয় টাকা রেকর্ড নিচে নেমে গেছে (প্রতি ডলার ৯১ টাকা ছাড়িয়েছে)।
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার লেনদেন ডলারে হয় বলে টাকা দুর্বল হওয়ার ফলে ভারতে সোনা আমদানির খরচ অনেক বেড়ে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে MCX-এর দামে।
বিয়ের মরসুম: ভারতে বিয়ের মরসুম চলায় সোনার খুচরো চাহিদা এখনও তুঙ্গে।
গোল্ড ETF: বড় বিনিয়োগকারী ও সংস্থাগুলো গোল্ড এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ডে (ETF) প্রচুর বিনিয়োগ করছে, যার ফলে বাজারে সোনার জোগান কমে আসছে।
সোনা (Gold) রেকর্ড উচ্চতায় অবস্থান করছে ১,৮০,০০০ টাকা (প্রতি ১০ গ্রাম) ছাড়িয়েছে.