২০০৪ সালে, ‘মার্ডার’ এবং ‘সায়া’ ছবির শুটিংয়ের সময় অনুরাগ বসুর জীবনে এক ভয়ঙ্কর সংকট দেখা দেয়। আকস্মিকভাবে জানা যায়, তিনি Acute Promyelocytic Leukaemia নামে একটি মারাত্মক রক্তের ক্যান্সারে আক্রান্ত। চিকিৎসকেরা তখন তাকে জানান, তার হাতে বেঁচে থাকার জন্য মাত্র দুই সপ্তাহ সময় রয়েছে।
ঠিক সেই সময়ে, তাঁর স্ত্রী তানি সাত মাসের গর্ভবতী ছিলেন। পরিবারের দায়িত্ব এবং আসন্ন সন্তানের মুখ দেখার আশা অনুরাগকে লড়াই চালিয়ে যেতে সাহস দিল। কেমোথেরাপির যন্ত্রণার মাঝেও তিনি কাজ থামাননি; বরং, ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে ধীরে ধীরে এগিয়ে গেছেন।
তিন বছরের কঠোর সংগ্রামের পর তিনি ক্যান্সারকে হারাতে সক্ষম হন। অনুরাগ বসুর এই যাত্রা নির্দেশ করে—যদি দৃঢ় সংকল্প, আশা এবং সাহস থাকে, তবে অসম্ভবকে জয় করা সম্ভব। এটাই প্রকৃত বীরত্বের সংজ্ঞা।