বলিউডের স্বর্ণযুগের অন্যতম সেরা অভিনেতা শশী কাপুর শুধু তার অভিনয়গুণেই নয়, বরং তার স্পষ্টভাষী মনোভাবের জন্যও পরিচিত ছিলেন। ১৮ মার্চ, তার জন্মদিনে, আমরা একটি কম আলোচিত অধ্যায় নিয়ে আলোচনা করতে যাই, যেখানে তিনি সাহসে ইন্ডাস্ট্রির অন্ধকার দিকগুলো নিয়ে কথা বলেছেন।
কাপুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করে, শশী কাপূরের মুখ্য বৈশিষ্ট্য ছিল সোজাসাপ্টা কথা বলা। রিশি কাপুর বা করিনা কাপুর খানের মতো তিনিও ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন অস্বস্তিকর সত্যকে প্রকাশ করতে কখনোই দ্বিধা করতেন না। দীর্ঘ বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তিনি বলিউডের উত্থান-পতনের নানা দিক তুলে ধরেছেন, যা সাধারণত আলোচনার মধ্যে আসেনা।
একটি সাক্ষাৎকারে শশী কপুর ‘কাস্টিং কাউচ’ সম্পর্কে একটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ তুলে ধরেন। যেখানে সাধারণত নারীদের শোষণের বিষয়টি বেশি আলোচনায় আনা হয়, সেখানে তিনি উল্লেখ করেন যে, পুরুষ অভিনেতারাও এমন পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন। যদিও তিনি কোনো বিশেষ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি, তবে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইন্ডাস্ট্রির কিছু প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রীরা নতুন প্রতিভাদের ওপর প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন।
তিনি জানালেন, ক্যারিয়ার গড়ার পথে নবাগতদের অনেক সময় চাপের মুখোমুখি হতে হতো। সঞ্জয় খান এবং ধর্মেন্দ্রর মতো কিংবদন্তি অভিনেতাদের উদাহরণ দিয়ে তিনি সে সময়কার বাস্তবতা তুলে ধরেন। এমনকি মীনা কুমারী ও ধর্মেন্দ্রর সম্পর্ক নিয়েও তৎকালীন সময়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
শশী কাপুরের এই মন্তব্য সে সময় বলিউডে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। আজও তাঁর এই বক্তব্য প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি স্পষ্ট করে— ইন্ডাস্ট্রির সমস্যা একপাক্ষিক নয়, বরং তা বহুস্তরীয়।