ভারতের অন্যতম প্রধান শিল্প পরীক্ষা সংস্থা সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদ ১১তম আন্তর্জাতিক চিত্রকলা প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এই আয়োজনটি ১১ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু ভারতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রদর্শনীর শেষ দিনে, প্রখ্যাত কত্থক নৃত্যশিল্পী রত্নমণি ঝুমুর ঘোষ এবং তাঁর কন্যা ডেইজি ঘোষ মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধকর করে তোলেন। রত্নমণি ঝুমুর ঘোষ তাঁর নৃত্যে কত্থক তারানা এবং দুর্গা বন্দনার মাধ্যমে ভারতে এক গভীর সংস্কৃতি অনুভূতির সৃষ্টি করেন, তাঁর কন্যা ডেইজি ঘোষ পরিবেশন কত্থক তারানা ও মিয়া মাল্লার মিশ্রণ। মা ও মেয়ে একসাথে তাঁদের পরিবেশনাটি শেষ করেন ‘ও আমার দেশের মাটি’ এবং ‘বন্দে মাতরম’ গানের সাথে, যা সকল দর্শকের মনে এক বিশেষ আবেগের সঞ্চার করে। এর মাধ্যমে তাঁরা মালয়েশিয়ার মতো প্রবাসী দেশে ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে উদ্ভাসিত হন।
এই সাংস্কৃতিক মাইলফলকে বিশেষ সম্মান প্রদর্শন করেন সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদের সচিব, ড. শান্তনু সেনগুপ্ত। তিনি সম্মাননা স্মারক, উত্তরায়ণ এবং সনদ তাঁদের হাতে তুলে দেন।
প্রদর্শনী শেষে, রত্নমণি ঝুমুর ঘোষ মন্তব্য করেন, “এমন একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতীয় সংস্কৃতির গুণাবলি তুলে ধরার সুযোগ পাওয়া সত্যিই একটি বিরল সম্মান। আমি সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদের প্রতি নিরন্তর কৃতজ্ঞ।”
এভাবে, ভারতীয় শিল্পের ঐতিহ্য মালয়েশিয়ায় নতুন এক পরিচিতি পেল, যা দীর্ঘকাল ধরে মনে রাখার মতো হয়ে থাকবে।