২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬-এ সংসদে উপস্থাপিত এই সমীক্ষায় ভারতীয় অর্থনীতিকে একটি “গোল্ডিলকস” (Goldilocks) অবস্থায় বর্ণনা করা হয়েছে—যেখানে প্রবৃদ্ধি বেশ শক্তিশালী এবং মুদ্রাস্ফীতি ঐতিহাসিকভাবে কম।জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধি: ২০২৬ অর্থবর্ষে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.৪% হবে বলে অনুমান করা হয়েছে, যা ভারতকে টানা চতুর্থ বছরের মতো বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতিতে পরিণত করেছে। ২০২৭ অর্থবর্ষের জন্য এই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৬.৮% থেকে ৭.২%।মুদ্রাস্ফীতি: মুদ্রাস্ফীতির হার রেকর্ড স্তরে নেমে এসেছে। খাদ্য ও জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে থাকায় এপ্রিল–ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে গড় মুদ্রাস্ফীতি ছিল মাত্র ১.৭%।মাথাপিছু আয়: ভারতীয়দের মাথাপিছু আয় আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে।সরকার ২০২৬ অর্থবর্ষের জন্য তার রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা ৪.৪% পূরণ করতে সফল হবে বলে আশা করা হচ্ছে (যা ২০২৫ সালে ছিল ৪.৮%)। জানুয়ারি ২০২৬ নাগাদ ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার ৭০১.৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা ১১ মাসের আমদানি মেটানোর জন্য যথেষ্ট। বৈশ্বিক অস্থিরতা সত্ত্বেও ভারতের পরিষেবা রপ্তানি রেকর্ড ৩৮৭.৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।পরিকাঠামো এবং বিনিয়োগপুঁজি বিনিয়োগ (Capex): পরিকাঠামো উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের বিনিয়োগ ২০২৬ অর্থবর্ষে ১১.২১ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।ডিজিটাল ইন্ডিয়া: ৫জি (5G) পরিষেবা এখন ভারতের ৯৯.৯% জেলায় পৌঁছে গেছে। ইউপিআই (UPI) এবং আধার ভিত্তিক ডিজিটাল পরিকাঠামোতে ভারত এখন বিশ্বসেরা।বেসরকারি বিনিয়োগ: দীর্ঘ বিরতির পর বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের জোয়ার লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক হচ্ছে।