গতকাল, ১৮ নভেম্বর, সম্মানিত অসম রাজনৈতিক শিল্পী এবং সাংস্কৃতিক আইকন জুবীন গার্গের জন্মদিন পালন করা হয়েছে। সারা দেশে, বিভিন্ন স্থানীয় সংগঠন ও নাগরিকেরা তাঁর জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করেছেন, যা শুধু সঙ্গীতের প্রতি তাঁর ভালোবাসার বহি:প্রকাশ নয়, বরং মানবতা ও প্রকৃতির প্রতি তাঁর অটল প্রতিজ্ঞারও চিহ্ন।
চেন্নাইয়ের আসাম কর্মীদের সাংস্কৃতিক সমাজ জুবীন গার্গের জন্মদিন উপলক্ষে বেশ কিছু মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে। সমাজের সদস্যরা চেন্নাইয়ের একটি অনাথ আশ্রমে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন, যা জুবীন গার্গের শিশুদের প্রতি ভালোবাসা এবং সমাজের অসহায়দের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে।

চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানটি গার্গের মানবকল্যাণে নিয়োজিত অবিরাম প্রচেষ্টার প্রতি সম্মান দেখানোর উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়েছিল। আসাম স্পিরিচুয়াল সোসাইটির সভাপতি মনোজ কুমার শর্মা জানান, “এটি আমাদের তরফ থেকে জুবীন দা-কে শ্রদ্ধা জানানোর একটি ক্ষুদ্র উদ্যোগ, যিনি সব সময় দয়া, সহানুভূতি এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের সহায়তার সংকল্পে অনুপ্রাণিত ছিলেন।”
এদিকে, গুৱাহাটী শহরে ‘কনসার্নড সিটিজেনস অব গুৱাহাটী’ (CCG) জুবীন গার্গের জন্মদিন উপলক্ষে ‘ট্রি ডে’ (Tree Day) হিসেবে উদযাপন করেছে। এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে গুৱাহাটী শহরের নানা স্থানে বিভিন্ন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ড. গোহাইন উল্লেখ করেন, “প্রকৃতির অবক্ষয়ের ফলে বন্যপ্রাণী সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। যদি বাতাস ও পানি দূষিত হয়, তবে পৃথিবী থেকে সকল জীবন সম্পূর্ণভাবে নিঃশেষিত হবে। আজ আমরা এই গাছ রোপণের মাধ্যমে সেই জরুরি বার্তাটি ছড়িয়ে দিতে চাই।”
এই উদ্যোগটি কেবল পরিবেশ রক্ষা করার প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রতিফলন নয়, বরং বিখ্যাত শিল্পী জুবীন গার্গের প্রকৃতিপ্রীতির প্রতি একটি শ্রদ্ধা নিবেদনও ছিল। এ প্রতিবেদন সহ একটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজনও করা হয়েছিল, যেখানে জুবীন গার্গের গান ও কবিতার ওপর অনুষ্ঠান ও একটি ডকুমেন্টারিও প্রদর্শিত হয়।
জুবীন গার্গের জন্মদিনটি সত্যিই একটি ব্যতিক্রমী দিন ছিল, যা মানবতা, প্রকৃতি এবং সঙ্গীতের প্রতি গভীর ভালবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশের একটি সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে উদযাপন করা হয়েছিল।