প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কারের ঘোষণা হয়েছে, এবং এতে বিশেষভাবে স্থান পেয়েছেন হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তিন অগ্রগণ্য শিল্পী। শিল্পকলার বিভাগে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন তবলা শিল্পী পণ্ডিত কুমার বসু, সন্তুর বাদক পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য এবং শাস্ত্রীয় কণ্ঠশিল্পী ত্রিপ্তি মুখোপাধ্যায়—তিনজনই পশ্চিমবঙ্গের গর্ব।
বেনারস ঘরানার বিশিষ্ট তবলা মহানুশীলক পণ্ডিত কুমার বসু দীর্ঘকাল ধরে তাল ও লয়ের সাধনায় গভীরভাবে নিযুক্ত রয়েছেন। অন্যদিকে, সন্তুর বাজানোর বিশেষ রীতি ‘সন্তুর ওয়াদন’-এর প্রতিষ্ঠাতা পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য ভারতীয় সফরঙ্গীতে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছেন। এছাড়া, শাস্ত্রীয় কণ্ঠসংগীতে একটি সুপ্রতিষ্ঠিত নাম হিসেবে ত্রিপ্তি মুখোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গীতের প্রতিভা ও সাধনার জন্য পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।
এছাড়াও, হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে অসামান্য অবদানের জন্য জনপ্রিয় বেহালাবাদক ড. এন. রাজমকে পদ্মবিভূষণ সম্মানে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়েছে; যা পদ্ম সম্মানগুলির মধ্যে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ।
২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঘোষিত ১১৩ জন পদ্মশ্রী প্রাপকের তালিকায় বাংলা ও হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনেক স্বনামধন্য শিল্পী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তবে, তিনজনের এই মর্যাদা অর্জন বাংলা ও হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জগতের জন্য একটি বিশেষ গৌরবের স্তম্ভ। এই সম্মানের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, শাস্ত্রীয় সুর, তাল এবং রাগের নিরবচ্ছিন্ন সাধনা আজও জাতীয় স্বীকৃতি পেতে পারে।