পিকনিকে প্লাস্টিক নয়, তিস্তাপাড় বাঁচাতে কড়া প্রশাসন

তিস্তাপাড়কে সংরক্ষণে পিকনিকের মরশুমের শুরুতেই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করল জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন। ২৫ ডিসেম্বর সারদাপল্লি অঞ্চলে প্লাস্টিক এবং থার্মকল পণ্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রশাসনের উদ্যোগে, পিকনিকে আসা দর্শকদের মাটির গ্লাস এবং শালপাতার থালা ব্যবহারের জন্য বাধ্য করা হয়।
পিকনিকের দলগুলো যাতে প্লাস্টিক বা থার্মকল সামগ্রী নিয়ে তিস্তা নদীর তীরে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য এক নম্বর স্পারের জুবিলি পার্কের কাছে বাঁশের ব্যারিকেড স্থাপন করে কঠোর চেকিং পরিচালনা করা হয়। তাছাড়া, প্লাস্টিক এবং থার্মকলের ব্যবহার প্রতিরোধে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিস্তাপাড়কে সংরক্ষণে পিকনিকের মরশুমের শুরুতেই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করল জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন। ২৫ ডিসেম্বর সারদাপল্লি অঞ্চলে প্লাস্টিক এবং থার্মকল পণ্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রশাসনের উদ্যোগে, পিকনিকে আসা দর্শকদের মাটির গ্লাস এবং শালপাতার থালা ব্যবহারের জন্য বাধ্য করা হয়।
পিকনিকের দলগুলো যাতে প্লাস্টিক বা থার্মকল সামগ্রী নিয়ে তিস্তা নদীর তীরে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য এক নম্বর স্পারের জুবিলি পার্কের কাছে বাঁশের ব্যারিকেড স্থাপন করে কঠোর চেকিং পরিচালনা করা হয়। তাছাড়া, প্লাস্টিক এবং থার্মকলের ব্যবহার প্রতিরোধে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এ বছর সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সদর ব্লক প্রশাসন এবং খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত একত্র হয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পিকনিকে আসা গাড়ি থেকে সরকারিভাবে পার্কিং ফি নেওয়া হচ্ছে। খড়িয়া পঞ্চায়েতের প্রধান কানন অধিকারী জানিয়েছেন, সংগ্রহ করা অর্থটি তিস্তাপাড়ের পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যবহার করা হবে।
অন্যদিকে, বড়দিনের উপলক্ষে গোরুমারা জঙ্গলের কাছে ময়নাগুড়ি ব্লকের রামসাই এলাকায় যারা জলঢাকা নদীর চরে পিকনিক করতে এসেছেন, তাদের ভিড় নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বন দপ্তর। জঙ্গলের অদূরে অবস্থানরত পিকনিক দলের সদস্যদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার বিষয়েও সতর্ক করা হচ্ছে।
বন্যপ্রাণীদের সুরক্ষার স্বার্থে বিকেলের আগেই পিকনিককারীদের এলাকা ত্যাগ করতে বলা হয়েছিল। গোরুমারা সাউথের রেঞ্জার ধ্রুবজ্যোতি বিশ্বাস এবং রামসাইয়ের রেঞ্জার বাবলু দাস জানান যে, বন্যপ্রাণীদের চলাচলের করিডরে কাউকে পিকনিক করার অনুমতি প্রদান করা হয়নি। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে তিস্তাপাড়া এবং সংশ্লিষ্ট বনাঞ্চলকে পরিবেশবান্ধব রাখার জন্য পিকনিককারীদের সহানুভূতি পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *