পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় ভারতীয় রান্নার গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যেখানে পাইপলাইনের গ্যাস (পিএনজি) সংযোগের সুবিধা রয়েছে, সেখানকার বাসিন্দাদের এই সংযোগ গ্রহণ করতে হবে। অন্যতায়, তিন মাসের মধ্যে এলপিজি সিলিন্ডারের সংযোগ বন্ধ করা হতে পারে।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই একটি বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের প্রায় ৩৪ কোটি মানুষের এলপিজি সংযোগ থাকলেও, পাইপলাইন গ্যাস বর্তমানে মাত্র দেড় কোটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছেছে। তাই, এই নির্দেশনা কার্যকর করা সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
শহরাঞ্চলে গ্যাসের পাইপলাইন অবকাঠামো স্থাপনের দায়িত্বে থাকা সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলি এখনও সব অঞ্চলে পরিষেবা প্রদান করতে সক্ষম হয়নি। কিন্তু সম্প্রতি জারি হওয়া নতুন নির্দেশনায় স্কুল, কলেজ, হোটেল ও রেস্তোরাঁয় বিগত প্রাকৃতিক গ্যাস (পিএনজি) সংযোগ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এলপিজি সরবরাহের সংকট মোকাবিলায় সরকার তাড়াহুড়ো করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এই নির্দেশিকার আইনগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যাপ্ত অবকাঠামো ছাড়া এমন চাপ প্রয়োগ করা বাস্তবের সঙ্গে খুব একটা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।