ভারতের চা জনপ্রিয়তা এবার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি লাভ করেছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে জনগণের কাছে খুবই সমাদৃত ফুড গাইড TasteAtlas-এর প্রকাশিত বিশ্বের সেরা ১০০ চায়ের তালিকায় ভারতের ঐতিহ্যবাহী মসলা চা প্রথম স্থান অধিকার করেছে। শুধু তাই নয়, তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে দেশের অন্য কয়েকটি জনপ্রিয় চাও।
তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে দার্জিলিং চা, ১৩ নম্বরে অসম চা, ৩৯ নম্বরে কেরলের সুলেমানি চা, ৪১ নম্বরে হিমাচলের কাংড়া চা এবং ৪৩ নম্বরে জম্মু-কাশ্মীরের নুন চা।
ভারতের চায়ের নানা বৈচিত্র্য এই তালিকায় খুব সহজেই প্রতিভাত হয়েছে। কিছু অঞ্চলে মশলার তীব্র স্বাদ, আবার অন্য দিকে হালকা ফুলের সুবাস অনুভূত হয়। কাশ্মীরের গোলাপি নুন চা প্রথমবারের স্বাদেই অবাক করে দেয়, আর দার্জিলিং চায়ের নাজুক সুবাস সারা বিশ্বে মানুষের হৃদয় জয় করে নিয়েছে।
এছাড়াও, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ চায়ের তালিকায় স্থান পেয়েছে জাপানের হোজিচা এবং সেনচা, শ্রীলঙ্কার সিলন ব্ল্যাক টি, এবং চীনের বিখ্যাত পু-এর চা।
শুধু চা নয়, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে ভারতের ঐতিহ্যবাহী চা-বাগানগুলোও। পশ্চিমবঙ্গের কার্শিয়াংয়ের ঐতিহাসিক মাকাইবাড়ি টি এস্টেট এবং অসমের বা বিখ্যাত হালমারি টি এস্টেটও বৈশ্বিক স্তরে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
ভারতে চা কেবল একটি পানীয় নয়; এটি একটি অনুভূতি, একটি আড্ডার মাধ্যম এবং সম্পর্ক গড়ার একটি সেতু। আর এবার সেই ‘চায়ে পে চর্চা’ বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে গেছে।